ইংল্যান্ডে হেনস্তার শিকার লামিচানে, জবাব চাইলেন ইসিবির কাছে

ছোট দল নেপালের বড় ক্রিকেটার সন্দ্বীপ লামিচানে। বিভিন্ন দেশের টি-টোয়েন্টি লিগগুলোতে খেলেন তিনি। কিন্তু ইংল্যান্ডে খেলতে গিয়ে হলো এক তিক্ত অভিজ্ঞতা। কাঠগড়ায় ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডকে (ইসিবি) দাঁড় করিয়ে চেয়েছেন পরিষ্কার জবাব।

ছোট দল নেপালের বড় ক্রিকেটার সন্দ্বীপ লামিচানে। বিভিন্ন দেশের টি-টোয়েন্টি লিগগুলোতে খেলেন তিনি। কিন্তু ইংল্যান্ডে খেলতে গিয়ে হলো এক তিক্ত অভিজ্ঞতা।

ইংল্যান্ডের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট ভাইটালিটি ব্লাস্টে দল পেলেও ভিসা জটিলতায় খেলতে পারেননি লামিচানে। সেবার ইংল্যান্ডেই যেতে পারেননি তিনি। এবার দ্য হান্ড্রেডও দল পান এই লেগ স্পিনার। শুরুতে ভিসা জটিলতায় পড়লেও সব সমস্যার সমাধান করে ইংল্যান্ডে গিয়েছিলেন তিনি। বিমানবন্দরে তার কাগজপত্রে কোনো সমস্যা ধরা না পড়লে তিনি কোয়ারেন্টিন পালন করতে চলে গিয়েছিলেন।

সরকার নির্ধারিত স্থানে কোয়ারেন্টিন পালন করছিলেন লামিচানে। এই পর্যন্ত সবকিছুই ঠিকঠাক চলছিল। কোয়ারেন্টিন শেষ হওয়ার দুই দিন আগে ইসিবি এই নেপালি ক্রিকেটারকে জানায় যে তার ভিসা অবৈধ। লামিচানেকে যতদ্রুত সম্ভব দেশ ত্যাগের নির্দেশও দেয় ইসিবি।

ফলে দ্য হান্ড্রেডে আর খেলা হচ্ছে না লামিচানের। এই ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন লামিচানে। ইসিবির কাছে এই ব্যাপারে পরিষ্কার জবাব চেয়েছেন তিনি।

লামিচানে ভাষায়, ‘যখন আমি টায়ার-৫ ভিসার জন্য আবেদন করেছিলাম, তখন আমাকে বলা হয়েছিল ভাইটালিটি ব্লাস্ট ও দ্যা হান্ড্রেডের জন্য একটি সার্টিফিকেট অব স্পন্সরশিপই যথেষ্ট হবে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতির জন্য আমার ভিসায় দেরি হয় এবং উস্টারশায়ার আমাকে বাদ দেয়। কিন্তু পরে আবারও আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় এবং বলা হয় ১০ জুলাইয়ের আগে আমি যুক্তরাজ্যে আসতে পারব, সিওএস কার্যকর থাকায় সমস্যা হবে না।’

‘আমি ৯ জুলাই যুক্তরাজ্যে আসি। ইমিগ্রেশনে কোনো সমস্যা হয়নি এবং আমি আমার কোয়ারেন্টিন সম্পন্ন করতে সরকার নির্ধারিত জায়গায় চলে যাই। কোয়ারেন্টিন শেষ হওয়ার দুই দিন আগে, ১৮ জুলাই ইসিবির পক্ষ থেকে বলা হয় যে আমার ভিসা অবৈধ এবং আমাকে যত দ্রুত সম্ভব দেশ ছাড়তে হবে। আমি জানতে চেয়েছিলাম সমস্যাটা কোথায় কিন্তু ইসিবির কেউই সঠিক উত্তর দেয়নি।’

ইসিবির কাছে স্পষ্ট জবাব চেয়ে লামিচানে বলেন, ‘বুঝতে পারছি, ব্যাপারটা যেকোনো সময় খারাপ হতে পারে। আমি অন্তত পরিষ্কার একটা জবাবের দাবি করতেই পারি যে কেন আমার বৈধ ভিসা আর অবৈধ হলো। আমি চাইব, ইসিবি এই বিষয়গুলো দেখবে,যেন আর কাউকে আমার মতো এই পরিস্থিতির শিকার হতে না হয়।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *