ব্যাটিংয়ের সময় নিজের সাথে কথা বলেই সফল সৌম্য

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজও জয় দিয়ে শুরু করেছে বাংলাদেশ। ম্যাচসেরা খেলোয়াড় সৌম্য সরকার জানিয়েছেন তার সাফল্যের রহস্য। রান আউট নিয়ে তার আক্ষেপও আছে।

জিম্বাবুয়ের দেওয়া ১৫৩ রানের লক্ষ্যে হেসেখেলেই ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ। সৌম্য অবদান রেখেছেন ব্যাট ও বল- উভয় বিভাগেই। ২ ওভার বোলিং করে ১৮ রান দিয়ে নিয়েছেন একটি উইকেট। ইনিংস উদ্বোধন করতে নেমে করেছেন ৪৫ বলে ৫০ রান। প্রায় ৪ মাস পরে খেলতে নেমে শুরুতে জড়তা লাগলেও নিজেই নিজেকে বুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছেন।

সৌম্য বলেন, ‘৪ মাস আগে সর্বশেষ নিউজিল্যান্ডে খেলেছিলাম তাই আজ প্রথম দিকে একটু জড়তা লাগছিল। প্রথম যে কয়টা শট খেললাম সব হাতে চলে যাচ্ছিল। তখন নিজের সাথে নিজে কথা বলেছি, একটু সময় নেওয়া উচিত। একটা চার বা ছয় আসলে তখন আবার নিজের মতো করে এগোনো যাবে, এটার জন্যই অপেক্ষা করছিলাম। তারপর পছন্দের একটা বল পেয়ে ছয় মেরেছি এবং আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছি।’

শুরুতে তার ও নাইম শেখের পরিকল্পনা নিয়ে সৌম্য জানান, ‘উইকেটে নাইমের সাথে কথা হচ্ছিল যে প্রথমে রান না হলেও একটা ওভারে ১০-১২ রান আসলেই আমরা পুষিয়ে নিবো। নাইম একটা ওভারে তিনটা চার মারে, তারপরে ম্যাচটা আমাদের দিকে আসে।’

এই ম্যাচটিতে বাংলাদেশের ইনিংস উদ্বোধন করার কথা ছিল নাইম ও লিটন দাসের। কিন্তু ফিল্ডিংয়ের সময় লিটন চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন। তিনি আর ফিরতে পারেননি। হঠাৎ করেই লিটনের দায়িত্ব আসে সৌম্যর কাঁধে। সাথে সাথেই নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করে মাঠে নামের সৌম্য।

তিনি বলেন, ‘প্রথমে আমার তিনে ব্যাটিং করার কথা ছিল। লিটন চোট পেয়ে গেল। আমি যখন মাঠ থেকে বাইরে গেলাম, তখন কোচ বললো যে আমি উদ্বোধন করব। তখন নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করেছিলাম যে উইকেট দেখে, পার্টনারের সাথে কথা বলে নিজের মতো সময় নিয়ে ব্যাটিং করার।’

ম্যাচসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হওয়ার পরেও আক্ষেপ আছে সৌম্যর। চেয়েছিলেন মাঠে থেকে আরও দ্রুত ম্যাচ জেতাতে। কিন্তু রান আউটের ফাঁদে পড়ে মাঠ ছাড়েন তিনি।

‘যেভাবে রান আউট হয়েছি তাতে হতাশ। আমি যেভাবে খেলছিলাম, যদি শেষ করে আসতে পারতাম তাহলে আমার নিজের আত্মবিশ্বাস আরও ভালো হতো। আমি থাকলে হয়তো আরও দুই বল আগেই খেলাটা শেষ করার সুযোগ ছিল। আমি ওদেরকে চার্জ করলে সেটার সম্ভাবনা ছিল।’

৪ মাস জাতীয় দলের পক্ষে ম্যাচ না খেলা সৌম্য সেই সময়েও চালিয়ে গিয়েছেন অনুশীলন। এখন তার লক্ষ্য ধারাবাহিক হওয়ার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি নেওয়া।

সৌম্যর ভাষায়, ‘যখন বাইরে ছিলাম তখনও অনুশীলন করেছি। আমরা যে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট খেললাম, ওখানেও অনুশীলন করেছিলাম। কাজ করেছি আগে, এখন খেলার ভেতর ঢুকেছি, এগুলোই করার চেষ্টা করছি। যতটুকু দেখেছি ঠিকই আছে তবে আরও ধারাবাহিক হওয়ার জন্য নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করতে হবে।’

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *